অর্গানিক ফুড এর বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।আপনাদের বিশ্বাস ই আমাদের আশ্বাস। দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী

সাতক্ষীরা মধু ও ঘি ভান্ডার একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। 💥❤️🥰💯❤️🥰💥🥰

ইনশাল্লাহ খাঁটি ও A GRADE এর মধু পাবেন আমাদের কাছে।নিঃ সন্দেহে নিতে পারেন।ভেজাল দেইনা হারাম খাই না।

আপনার পছন্দের পণ্যটি সিলেক্ট করুন।

অর্ডার করতে নিচের ফর্মটি পূরণ করুন

Billing details
Your order
Product Subtotal
img

1 kg গ্রামীণ চাকের মধু

×(1)

950 ৳
Subtotal 950 ৳
Shipping
Total 1050 ৳
গ্রামের প্রাকৃতিক চাকের মধু-বন,জঙ্গল থেকে সংগ্রহ করা

মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫ থেকে ১২ শতাংশমন্টোজ। আরও থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ শতাংশএনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি। মধুর উপকারিতা হজমে সহায়তা: এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। কারণ, এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে, তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়। রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ। অনিদ্রায়: মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। যৌন দুর্বলতায়: পুরুষদের মধ্যে যাঁদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে, তাঁরা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খান, তাহলে বেশ উপকার পাবেন। দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে: চোখের জন্য ভালো। গাজরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। রূপচর্চায়: মেয়েদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে মাস্ক হিসেবে মধুর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। মুখের ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির জন্যও মধু ব্যবহৃত হয়। ওজন কমাতে: মধুতে নেই কোনো চর্বি। পেট পরিষ্কার করে, চর্বি কমায়, ফলে ওজন কমে। হজমে সহায়তা: মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয় এবং হজমে সহায়তা করে। গলার স্বর: গলার স্বর সুন্দর ও মধুর করে। তারুণ্য বজায় রাখতে: তারুণ্য বজায় রাখতে মধুর ভূমিকা অপরিহার্য। এটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। শরীরের সামগ্রিক শক্তি ও তারুণ্য বাড়ায়।

মধুর অন্যান্য উপকারিতা সমূহঃ

১। প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠান্ডা লাগা,কফ,কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়। ২। মন ভালো করতে প্রতিদিন হালকা গরম পানির সাথে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে খান। সঙ্গে একটু দারুচিনির গুঁড়াও ছিটিয়ে নিতে পারেন। ৩। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে ওজন কমে যায় কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়াও এভাবে প্রতিদিন খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে,শরীরের বিষাক্ত উপাদান গুলো বের হয়ে যায় এবং শরীরের মেদ গলে বের হয়ে যায়। ৪। মধুর সাথে দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। ৫। মধু ও দারুচিনির মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি কমে এবং যারা ইতিমধ্যেই একবার হার্ট অ্যাটাক করেছেন তাদের দ্বিতীয়বার অ্যাটাকের ঝুকি কমে যায়। ৬। হজমের সমস্যা থাকলে প্রতিদিন সকালে মধু খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খান। ৭। যারা সারাক্ষন দূর্বলতায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেয়ে নিন এবং সারা দিন সবল থাকুন। ৮। সকালে ত্বকে মধু লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে মধুর বেশ কিছু উপাদান ত্বক শুষে নেয়। ফলে ত্বক মসৃণ ও সুন্দর হয়।ত্বকে নিয়মিত মধু ব্যবহার করলে ত্বকের দাগও চলে যায়। ৯। অল্প গরম দুধের সঙ্গে মধু বেশ কার্যকরী। সকালের নাস্তার সাথে প্রতিদিন ১/২ চামচ মধু পান করা উত্তম। শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি যোগায় মধু। ১০। মধু রোগ প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি করে, হার্টকে শক্তিশালী করে, কোষ্ঠকাঠিন্য ও অনিদ্রা দূর করে, শারীরিক দূর্বলতা দূর করে এবং পাকস্থলী সুস্থ রাখে। এছাড়া কফ, সর্দি, কাশি, পানিবাহিত রোগ ডায়রিয়া সহ পেটের যে কোন সমস্যায় মধু চমৎকার কাজ দেয়।

মধুর যত গুণ

মধুর উপাদান মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫ থেকে ১২ শতাংশমন্টোজ। আরও থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ শতাংশএনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি। মধুর উপকারিতা শক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে। হজমে সহায়তা: এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। কারণ, এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে, তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়। রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ। ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। যদি একজন অ্যাজমা (শ্বাসকষ্ট) রোগীর নাকের কাছে মধু ধরে শ্বাস টেনে নেওয়া হয়, তাহলে সে স্বাভাবিক এবং গভীরভাবে শ্বাস টেনে নিতে পারবে। অনেকে মনে করে, এক বছরের পুরোনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো। অনিদ্রায়: মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা–চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে। যৌন দুর্বলতায়: পুরুষদের মধ্যে যাঁদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে, তাঁরা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খান, তাহলে বেশ উপকার পাবেন। প্রশান্তিদায়ক পানীয়: হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশ্রিত মধু একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয়। মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায়: মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায় মধু ব্যবহৃত হয়। এটা দাঁতের ওপর ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয়রোধ করে। দাঁতে পাথর জমাট বাঁধা রোধ করে এবং দাঁত পড়ে যাওয়াকে বিলম্বিত করে। মধু রক্তনালিকে সম্প্রসারিত করে দাঁতের মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষা করে। যদি মুখের ঘায়ের জন্য গর্ত হয়, এটি সেই গর্ত ভরাট করতে সাহায্য করে এবং সেখানে পুঁজ জমতে দেয় না। মধু মিশ্রিত পানি দিয়ে গড়গড়া করলে মাড়ির প্রদাহ দূর হয়। পাকস্থলীর সুস্থতায়: মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার হাইড্রোক্রলিক অ্যাসিড ক্ষরণ কমিয়ে দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুকজ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়। তাপ উৎপাদনে: শীতের ঠান্ডায় এটি শরীরকে গরম রাখে। এক অথবা দুই চা–চামচ মধু এক কাপ ফুটানো পানির সঙ্গে খেলে শরীর ঝরঝরে ও তাজা থাকে। পানিশূন্যতায়: ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়। দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে: চোখের জন্য ভালো। গাজরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। রূপচর্চায়: মেয়েদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে মাস্ক হিসেবে মধুর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। মুখের ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির জন্যও মধু ব্যবহৃত হয়। আরও পড়ুনঃ মধু উপকারী, তবে হতে হবে খাঁটি মধু যেভাবে ওজন কমায় ওজন কমাতে: মধুতে নেই কোনো চর্বি। পেট পরিষ্কার করে, চর্বি কমায়, ফলে ওজন কমে। হজমে সহায়তা: মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয় এবং হজমে সহায়তা করে। গলার স্বর: গলার স্বর সুন্দর ও মধুর করে। তারুণ্য বজায় রাখতে: তারুণ্য বজায় রাখতে মধুর ভূমিকা অপরিহার্য। এটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। শরীরের সামগ্রিক শক্তি ও তারুণ্য বাড়ায়। হাড় ও দাঁত গঠনে: মধুর গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম দাঁত, হাড়, চুলের গোড়া শক্ত রাখে, নখের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে, ভঙ্গুরতা রোধ করে। রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে: এতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, যা রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। আমাশয় ও পেটের পীড়া নিরাময়ে: পুরোনো আমাশয় এবং পেটের পীড়া নিরাময়সহ নানাবিধ জটিল রোগের উপকার করে থাকে। হাঁপানি রোধে: আধা গ্রাম গুঁড়ো করা গোলমরিচের সঙ্গে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মেশান। দিনে অন্তত তিনবার এই মিশ্রণ খান। এটা হাঁপানি রোধে সহায়তা করে। উচ্চ রক্তচাপ কমায়: দুই চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ রসুনের রস মেশান। সকাল-সন্ধ্যা দুইবার এই মিশ্রণ খান। প্রতিনিয়ত এটার ব্যবহার উচ্চ রক্তচাপ কমায়। প্রতিদিন সকালে খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে খাওয়া উচিত। রক্ত পরিষ্কারক: এক গ্লাস গরম পানির সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধু ও এক চামচ লেবুর রস মেশান। পেট খালি করার আগে প্রতিদিন এই মিশ্রণ খান। এটা রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া রক্তনালিগুলোও পরিষ্কার করে। রক্ত উৎপাদনে সহায়তা: রক্ত উৎপাদনকারী উপকরণ আয়রন রয়েছে মধুতে। আয়রন রক্তের উপাদানকে (আরবিসি, ডব্লিউবিসি, প্লাটিলেট) অধিক কার্যকর ও শক্তিশালী করে। হৃদ্‌রোগে: এক চামচ মৌরি গুঁড়োর সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধুর মিশ্রণ হৃদ্‌রোগের টনিক হিসেবে কাজ করে। এটা হৃৎপেশিকে সবল করে এবং এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায়: মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায় এবং শরীরের ভেতরে এবং বাইরে যেকোনো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতাও জোগান দেয়। মধুতে আছে একধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধকারী উপাদান, যা অনাকাঙ্ক্ষিত সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে

গ্রাম্য চাকের মধুর উপকারিতা

গ্রামের প্রাকৃতিক মধু গ্রামের মধু খুবই বিরল এবং মূল্যবান। অর্গানিক এবং সেরা মানের খাবারের জন্য দীর্ঘ দিনের যাত্রার পর, গ্র্যান্ড মাসালা বিডি অবশেষে আপনার কাছে সেরা মানের গ্রামীণ প্রাকৃতিক মধু নিয়ে এসেছে, আলহামদুলিল্লাহ, মধু সংগ্রহকারীরা (মৌয়ালরা) গ্রামের গভীরতম পয়েন্টগুলিতে কিছু ভিন্ন উপায়ে প্রবেশ করেছে। . বাজারে প্রচুর ভেজাল মধু বিক্রি হচ্ছে, যা খাঁটি মধুর স্বাদের মতো স্বাস্থ্যকর নয়। মধু শক্তি যোগায়, হজমে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, ফুসফুসের সকল রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময় করে। মধুতে রয়েছে ভিটামিন যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। মধুতে প্রায় 45টি খাদ্য উপাদান রয়েছে। গ্র্যান্ড মাসালা বিডি আপনাকে 100% ভেজালমুক্ত খাঁটি গ্রাম প্রাকৃতিক মধু সরবরাহ করে। প্রাকৃতিক মধুর উপকারিতা 1. 1 টেবিল চামচ মধু (21 গ্রাম) 64 ক্যালোরি এবং 17 গ্রাম চিনি রয়েছে। 2. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, এতে রয়েছে জৈব অ্যাসিড এবং ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো ফেনোলিক যৌগ। 3. মধু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য চিনির চেয়ে কম খারাপ। 4. এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। 5. মধুও কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। 6. এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি হার্টের স্বাস্থ্যের উপর অন্যান্য উপকারী প্রভাবগুলির সাথে যুক্ত। 7. মধু পোড়া এবং ক্ষত নিরাময় প্রচার করে। 8. মধু শিশুদের কাশি দমন করতে সাহায্য করতে পারে। গ্র্যান্ড মাসালা বিডি প্রাকৃতিক মধু কেন? * 100% প্রাকৃতিক মধু * রুট স্তর থেকে সংগৃহীত * ভেজাল মুক্ত * রাসায়নিক মুক্ত * তাজা এবং স্বাস্থ্যকর * সরাসরি তত্ত্বাবধানে সংগৃহীত

গ্রামের চাকের মধু

মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ (সা.) একে ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা মহৌষধ বলেছেন। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে। মধুতে যেসব উপকরণ রয়েছে তন্মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসাবে জমা হয় না। মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন-ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি বিদ্যমান। মধু এমন ধরনের ওষুধ, যার পচন নিবারক (অ্যান্টিসেপটিক), কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ধর্ম আছে। প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে খালি পেটে চা চামচের দুই চামচ করে মধু ডান হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে হবে। নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে যেসব উপকার পাওয়া যায়। তা হলো- ১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে; ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে; ৩. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে; ৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে; ৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে; ৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে; ৭. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে; ৮. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়; ৯. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক; ১০. গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে; ১১. আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়; ১২. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী; ১৩. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী; ১৪. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে; ১৫. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে; ১৬. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে; ১৭. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে; ১৮. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে; ১৯. রক্ত পরিশোধন করে; ২০. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে; ২১. জিহ্বার জড়তা দূর করে; ২২. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে; ২৩. বাতের ব্যথা উপশম করে; ২৪. মাথা ব্যথা দূর করে; ২৫. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে; ২৬. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে; ২৭. শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না; ২৮. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে; ২৯. ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়; ৩০. মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

প্রাকৃতিক চাকের মধু চেনার উপায়

৩টি উপায়ে আপনি প্রাকৃতিক মধু চিনতে পারেন। উপায়গুলি অবলম্বন করলে আপনি ভেজাল মধু কেনা থেকে রক্ষা পেতে পারেন। চলুন জেনে নিই সেই ৩টি উপায় কী কী ১. খাঁটি মধু পানিতে মিশে না প্রাকৃতিক মধু কখনোই পানির সাথে মিশতে পারে না। এটি পরীক্ষা করতে আপনি একটি গ্লাসে অল্প পরিমাণ পানি নিয়ে তাতে খাঁটি মধু মিশিয়ে দেখতে পারেন। পানি নিজস্ব রং বজায় রেখে মধুকে জায়গা করে দিবে। এটি কখনোই মধুর রঙ ধারণ করবে না। ২. প্রাকৃতিক মধু পাতলা হয় প্রাকৃতিক অর্গানিক মধু সবসময় পাতলা ঘনত্বের হয়। এটি পরীক্ষা করতে আপনি আপনার বৃদ্ধাঙ্গুলিতে একফোঁটা পরিমাণ মধু নিয়ে তা কাঁত করে ফেলে দেবার চেষ্টা করুন। দেখবেন তা পড়ে যাবে। যদি না পড়ে, হাতে লেগে থাকে, তাহলে বুঝবেন এটি ভেজালমুক্ত না। ৩. প্রাকৃতিক মধুতে পিপড়া ধরে না এটি মধুর একটি আশ্চর্য গুণ। স্বভাবতই মিষ্টি জিনিসে সহজেই পিপড়া ধরে। কিন্তু প্রাকৃতিক মধুতে আপনি কখনোই পিপড়া ধরতে দেখবেন না। বিশ্বাস না হলে একফোঁটা মধু নিয়ে তা ঘরের এক কোণায় রেখে নিজেই পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

প্রাকৃতিক মধু কেন খাবো?

একটি গবেষণায় মধুর ৩৩টি গুণের কথা উঠে এসেছে। সেইসাথে পাওয়া গেছে ৪৫টি খাদ্য উপাদান। প্রাকৃতিক মধু না খেলে তাই আপনি প্রকৃতির অনেক বড় একটি কুদরত থেকে বঞ্চিত হবেন। প্রাকৃতিক মধু আপনার শরীরে যেসব উপকারিতা সাধন করতে পারে তার কিছু নমুনা দেখে নিন। প্রাকৃতিক মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ওজন কমায় অনিদ্রা দূর করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হজম সমস্যা দূর করে ডায়রিয়া নিরাময় করে অম্বল দূর করে পাকস্থলী দূর করে ত্বক সুস্থ রাখে যৌনশক্তি বাড়ায় এগুলো ছাড়াও প্রাকৃতিক মধুর রয়েছে আরো অনেক অনেক উপকারিতা।

মধু খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

বিভিন্ন সময় ভোক্তারা আমাদের নিকট মধু খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা সম্পর্কে জানতে চেয়ে থাকেন । এ সম্পর্কে আলোচনা করার পূর্বে মধুর খাদ্য উপাদানসমূহ সম্পর্কে আসুন জেনে নিই । এরপর পর্যায়ক্রমে আমরা মধু খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করবো। মধু খাওয়ার বিভিন্ন উপকারিতা এর মধ্যে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, হজমশক্তি বৃদ্ধি, সর্দি-জ্বর উপশম, কোষ্ঠকাঠিন্যতা দূরীকরণ, ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশন নিরাময়, শরীরের ওজন কমানো, রক্তের কোলেস্টেরল এর মাত্রা কমানো, ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এবং মধু খাওয়ার সবচেয়ে উত্তম নিয়ম হলো প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১-২ চা-চামচ মধু পরিষ্কার হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খাওয়া। মধু খাওয়ার বিভিন্ন উপকারিতা, বিশেষ নিয়মসমূহ এবং সতর্কতাগুলি নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করছিঃ মধুঃ মধু হল মহান সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত প্রাকৃতিক এ্যান্টিবায়োটিক । যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয় ৷ মধুতে বিদ্যমান প্রাকৃতিক গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজ আমাদের শরীরে তৎক্ষনাৎ এনার্জি যোগায় ৷ এছাড়া মধুতে রেয়েছে বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন, অ্যামাইনো এসিড, খনিজ লবণ ইত্যাদি ৷

মধুর উপকারিতাঃ

সুস্থ থাকতে নিয়মিত খাঁটি মধু খাওয়ার কোন বিকল্প নেই ৷ ইতোমধ্যে আমরা জেনেছি মধুতে কি কি খাদ্য উপাদানসমুহ বিদ্যমান রয়েছে। তবে আমাদেরকে নিয়মিত মধু খাওার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই, মধুতে বিদ্যমান এই বিশেষ খাদ্য উপাদানগুলি আমাদের শরীরে বিশেষ প্রভাব ফেলতে সক্ষম হবে । আমরা সবসময় মধু নিয়মিত খাওয়ার কথা বলে থাকি কারণ, অনিয়মিত মধু পানে যে উপকার আপনি পাবেন তা তেমনভাবে পরিলক্ষিত হবেনা । এ পর্যায়ে খাঁটি মধুর উল্লেখযোগ্য উপকারিতাসমূহ নিম্নে সংক্ষেপে তুলে ধরছিঃ মধুতে বিদ্যমান রয়েছে বিভিন্ন প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এর ফলে নিয়মিত খাঁটি মধু পানে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়। মধু আমাদের শরীরে তৎক্ষনাৎ শক্তি যোগায়, শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শরীরে তাপ উৎপন্ন করে । মধু আমাদের শরীরে খাবারের হজমশক্তি বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে সহায়তা করে ৷ যারা রক্তশূন্যতায় ভুগছেন, মধু তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারি। রক্তে হিমোগ্লোবিন এর পরিমাণ বৃদ্ধিতে সহায়তার মাধ্যমে মধু শরীরের রক্তশূণ্যতা দূর করে। মধু আমাদের শরীরে রক্তনালী প্রসারণের মাধ্যমে হৃদপেশির কার্যক্রমে বিশেষ ভূমিকা রাখে এবং শরীরে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে। মধুতে রয়েছে বিভিন্ন খনিজ উপাদানসমূহ। নিয়মিত মধু পানে আমাদের শরীরে এসব খজিনের (কপার, লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ ইত্যাদি) অভাব পূরণ হয়৷ মুখের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ঘায়ের চিকিৎসায় মধু খুবই কার্যকরী এবং মধু আমাদের দাঁতকে মজবুত করে। মৌসুমি সর্দি, জ্বর উপশমে তুলসি পাতার রসের সঙ্গে খাঁটি মধু মিশিয়ে কয়েকদিন নিয়মিত পান করলে এটা দারুণভাবে কাজ করে। যারা ফুসফুসের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন এমনকি যাদের ফুসফুস করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ তাদের জন্যও মধু খুবই কার্যকরী৷ মধু দিয়ে গাঁজানো রসুন নিয়মিত সেবনে ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশন নিরাময়, শরীরের ওজন কমানো, রক্তের কোলেস্টেরল এর মাত্রা কমানো, ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ, ইত্যাদি উপকারিতা পাওয়া যায়। মধু শিশুদের হাড়ের গঠন মজবুত করে, দৃষ্টিশক্তি এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। রাতের বেলা দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করলে আপনার অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করবে। শারীরিক এবং যৌন দূর্বলতা দূরীকরণে মধুর রয়েছে বিশেষ ভূমিকা ৷ মধু পানে শরীরের কোষ্ঠকাঠিন্যতা দূর হয় ৷ নিয়মিত মধু পান বাতের ব্যথা উপশম করে। মধুতে বিদ্যমান অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ত্বকের রং সুন্দর করে এবং তারুণ্যতা বজায়ে রাখতে সহায়তা করে ৷ মুখের ব্রণ এর চিকিৎসায়, ত্বক এবং চুলের রূপচর্চায় মধু ব্যবহারে বিশেষ সুফল পাওয়া যায় ৷

মধু খাওয়ার নিয়মঃ

মধু খাওয়ার বিশেষ তেমন কোন নিয়ম নেই । তবে অবশ্যই নিয়মিত মধু পান সর্বোত্তম৷ এতে শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেম অনেক শক্তিশালী হবে । পাশাপাশি যে উপকারিতাগুলি পাবেন সেগুলিও দৃশ্যমান হবে। আপনি পূর্বের থেকে অবশ্যই ভাল অনুভব করবেন । এই পর্যায়ে আপনাদের জন্য আমাদের দেশে বহুল ব্যবহৃত মধু খাওয়ার সঠিক নিয়ম গুলি তুলে ধরছিঃ প্রতিদিন সকালে ১-২ চা চামচ মধু সরাসরি খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে পারেন । এটি শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী । মধু শরীরের ওজন কমাতে কাজে লাগে। রোজ সকালে কুসুম গরম পানির সাথে ১ – ২ চা চামচ মধুর সঙ্গে হালকা লেবুর রস মিশিয়ে খালি পেটে পান করবেন । এতে আপনার শরীরের মেদ কমবে । কাঁচা ছোলার ভিজিয়ে রেখে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে শারীরিক দুর্বলতা দ্রুত দূর হবে। ব্রেড বা রুটির সাথে জেলি কিংবা নসিলা এর পরিবর্তে মধু খেতে পারেন ৷ এটি খেতে বেশ সুস্বাদু। পাশাপাশি অধিক এনার্জী পাবেন ৷ চায়ের সঙ্গে চিনি এর পরিবর্তে মধু পান করতে পারেন ৷ চিনিকে বলা হয়ে থাকে ‘হোয়াইট পয়জন’। এটি মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ৷ দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন ৷ এটি খুবই উত্তম একটি পানীয় ৷ তবে অবশ্যই দুধ গরম থাকা অবস্থায় এতে মধু দিবেন না । তাপমাত্রা স্বাভাবিক হলে তখন মধু মিশিয়ে খাবেন ৷ আমরা জানি কালোজিরা হল সকল রোগের মহা ঔষধ। অল্প পরিমান কালজিরার সাথে ১ চা চামচ মধু নিয়মিত পান করুন। এতে অনেক জটিল রোগ থেকে মুক্তি পাবেন ইনশা আল্লাহ। মধু এবং লেবুর শরবত খুবই উত্তম পানীয়। মধুতে বিদ্যমান খাদ্য উপাদানগুলি শরীরে তৎক্ষণাৎ শক্তি যোগায়। শরীরের ক্লান্তি দূর করে। যারা কোষ্ঠকাঠিন্যতায় ভুগছেন তারা ১ মগ পানিতে ২ চা চামচ ইসুফগুলের ভুসি এবং ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে খালি পেতে কয়েকদিন পান করলে ভাল সুফল পাবেন। যারা রক্তনালীর বিভিন্ন সমস্যায় মধু বিশেষ উপকারী। মধুর সঙ্গে দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়মিত কিছুদিন খেতে পারেন। এতে আপনার রক্তনালীর সমস্যা দূর করবে। এমনকি রক্তে বিদ্যমান খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০ ভাগ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে খাঁটি মধু। সর্দি-জ্বর নিরাময়ের জন্য তুলসি পাতা বা বাসক পাতার রসের সঙ্গের মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে খুবই ভাল কার্যকারিতা অনুভব করবেন। রান্নায় সরাসরি মধু ব্যাবহার করা যাবে না। খাবারে মধু মিশিয়ে মিষ্টি করতে রান্না শেষ হবার পরে তাতে মধু মিশিয়ে নিন। ফুটন্ত পানি কিংবা দুধে সরাসরি মধু যোগ করা যাবে না। পানি বা দুধ পানযোগ্য তাপমাত্রায় আসলে তারপর এতে মধু যোগ করুন। যেসকল বাচ্চাদের বয়স ১ বছর বা ১২ মাসের কম, তাদের কোন ক্রমেই মধু খেতে দেয়া যাবে না৷ কারণ ১ বছরের কম বয়সে বাচ্চাদের পরিপাকতন্ত্র পুরোপুরি সুগঠিত থাকে না৷ বাচ্চার বয়স ১২ মাস হওয়ার পরে, দৈনিক অল্প পরিমাণে মধু খওয়ানোর অভ্যাস তৈরি করা যেতে পারে৷ মধু দিয়ে গাঁজানো রসুন এর মিশ্রণ তৈরি করে প্রতিদিন সকালে এক কোয়া রসুন এবং এক চা-চামচ মধু সেবন করুন। এতে আপনার ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশন নিরাময়, রক্তের কোলেস্টেরল এর মাত্রা কমানো, প্রভৃতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

মধু খাওয়ার উপযুক্ত সময়ঃ

সারাদিনের যেকোন সময়েই আপনি মধু পান করতে পারেন। দিনের যেকোনো সময়ে আপনি যখনই ক্লান্ত অনুভব করবেন মধু খেলে তৎক্ষণাৎ প্রশান্তি পাবেন এবং শরীরে তাৎক্ষণিক এনার্জি যোগাবে। তবে মধু খাওয়ার উপযুক্ত সময় হলো সকালে খালি পেটে মধু পান করা। এতে অধিক উপকারিতা পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে আপনি সকালে খালি পেটে কয়েক চামচ মধু হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে পারেন। কিংবা মধু দিয়ে শরবত তৈরি করেও পান করতে পারেন। শরবতে লেবুর রস, চিয়া সিড এগুলি ব্যবহার করতে পারেন।

কোন মধু স্বাস্থের জন্য সবচেয়ে উপকারি?

সব মৌসুমের খাঁটি মধুতেই রয়েছে প্রায় সমান গুণাগুণ৷ মৌসুম ভেদে মধুর স্বাদ, ঘ্রাণ এবং ঘনত্বের পরিবর্তন হয় সাধারণত ৷ কিন্তু বাজারে পাওয়া যায় এমন সব ধরণের মধুই আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারে আসবে না । খোলা বাজারে যে সমস্ত মধু পাওয়া যায় তার অধিকাংশই ভেজাল অথবা নকল ৷ আবার কমার্শিয়াল হানিগুলো সাধারণত মেশিনের মাধ্যমে প্রসেস করে বাজারজাতকরণ হয়ে থাকে, এর ফলে মধুর প্রাকৃতিক গুনাগুণ হ্রাস পায়। আর আমরা সবাই জানি, মধু আমাদের জন্য যেমন খুবই উপকারী তেমনি ভেজাল বা নকল মধু আমাদের শরীরের জন্য ততটাই অপকারী । তাই সবসময় চেষ্টা করবেন প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন ভাল মানের RAW মধু পান করতে, এতে সবচেয়ে বেশি উপকারিতা পাওয়া যায়। আর মধু যত টাটকা খেয়ে নেয়া যায় ততই ভাল। মধু সম্পর্কে যেকোনো তথ্য জানতে আপনারা আমাদের ফেসবুক পেজে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়া, যারা ভাল মানের প্রাকৃতিক মধু খুঁজছেন তারাও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন । আমরা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে নিজস্ব তত্ত্বাবধানে প্রাকৃতিক মৌচাক হতে মধু সংগ্রহ এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে বোতলজাত করে সরাসরি ভোক্তাদের নিকট সরবরাহ করে থাকি ৷

RECOMMENDED FOR YOU

Sale 20%

খাঁটি খেজুরের গুড়

  • ৳1500 ৳ 1800

Sale 15%

চিয়াসিড 2KG

  • ৳980 ৳ 1127

সরিষা ফুলের মধু 1 কেজি

  • ৳490

বরই ফুলের মধু 500 gram

  • ৳340

Sale 10%

লিচু ফুলের মধু 2 kg

  • ৳1100 ৳ 1210