আলহামদুলিল্লাহ আমাদের কাছে সেরা মানের ঘি পাবেন। বিন্দু পরিমান ভেজাল পাবেন না।ইনশাআল্লাহ
আপনি কতটুকু ঘি নিতে চাচ্ছেন নিচে থেকে পছন্দ করতে পারবেন।
আপনার পছন্দের পণ্যটি সিলেক্ট করুন।
অর্ডার করতে নিচের ফর্মটি পূরণ করুন
সাতক্ষীরা মধু ভাণ্ডারের ঘী কেন খাবেন?
সামান্য সময়ের ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়াতেই আপনাকে ভেজাল জিনিস দিয়ে আখেরাতে তার চিরস্থায়ী হিসাব দেওয়ার কোন চিন্তা ভাবনাই সাতক্ষীরা মধুভাণ্ডারের নেই। আলহামদুলিল্লাহ আমরা বরাবর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সাতক্ষীরাতে ঘি তৈরি করি। আপনারা যে কোন সময় আমাদের কারখানা ভিজিট করতে পারেন। আমরা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এনে তারপর আপনাদেরকে দেই না কারণ তাতে খাঁটি কি খাঁটি না সেটা সন্দেহ থেকে যায়। তাই আমরা সাতক্ষীরাতেই আমাদের তত্ত্বাবধানে ঘি তৈরি করে তারপর আপনাদের কাছে পাঠায়। মনে রাখবেন আমাদের প্রত্যেকটি পণ্যের প্রথম কাস্টমার আমরা নিজেরাই। আমরা যে জিনিস খাই না সে জিনিস আপনাদেরকে খাওয়াই না। নিঃসন্দেহে থাকতে পারেন শতভাগ পিওর এবং খাঁটি ঘী পাবেন
ঘি এর উপকারিতা
১। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট জাতীয় খাবার। ২। এটি হজমজনিত সমস্যা দূর করে। পাশাপাশি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নিরসনেও ভূমিকা রাখে। ৩। মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতে ভূমিকা রাখে। ৪। হৃদস্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। ৫। এটি প্রদাহবিরোধী একটি খাবার। ৬। ত্বক ভালো রাখে। একই সাথে মুখের ঘা দূর করতে সাহায্য করে। ৭। ক্ষুধামন্দা দূর করতে ভূমিকা রাখে। ৮। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে এর বিশেষ ব্যবহার রয়েছে।
আমাদের ঘি (Ghee) কেনো আলাদা?
১। আমাদের ঘি গরুর শতভাগ খাঁটি দুধ থেকে তৈরি। ২। বেস্ট কোয়ালিটির ক্রিম থেকে তৈরি। ৩। কোন ধরণের ডালডা বা ভেজালের মিশ্রণ নেই। ৪। ফুড কালার, ফ্লেভার বা কেমিক্যালের মিশ্রণ নেই। ৫। উৎপাদনের সময় বিশেষ ফর্মুলা মেন্টেইন করা হয়, ফলে কোয়ালিটি হয় সেরা।
ঘি খাওয়ার নিয়ম
ঘি একটি শক্তিবর্ধক এবং উপকারী খাদ্য। বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে ঘি অনেক বড় একটি জায়গা দখল করে আছে। গরম ভাতের সাথে ঘি দিয়ে খেতে অনেক মজা লাগে। এই সুস্বাদু খাবার ব্যবহার করে তরকারি রান্না করলে তা অনেক সুস্বাদু হয়। ঘি যে শুধু খেতে মজা তা না, এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। বিভিন্ন শারীরিক প্রয়োজনে ঘি খাওয়ার নিয়মে ভিন্নতা লক্ষ করা যায়। আসলে নিয়ম মেনে খেলে এর দ্বারা অনেক ধরনের উপকার পাওয়া যায়। চুল পড়া সমস্যা দূর করতে ঘি অনেক ভালো কাজ করে। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস গরম পানির সাথে এক চামচ ঘি মিশিয়ে খেলে ধীরে ধীরে চুল পড়া সমস্যার সমাধান হয়। সামনে শীতকাল আসছে এই সময় ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে ঘি এর সাথে সামান্য গোল মরিচ খাওয়া যেতে পারে। এতে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা দূর হয়। ওজন কমানোর জন্য সকালে ঘি খেলে শরীরের কোলেস্টেরল বার্ন হয়ে অতিরিক্ত চর্বি জমা রোধ হয়। তাছাড়া এটি শরীরের ওজন বৃদ্ধি হওয়ার উপাদান নিয়ন্ত্রণ করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। গরম ভাপ ওঠানো ধোঁয়ার সাথে ঘি খাওয়া যায়। এক গ্লাস গরম দুধের সাথে এক চামচ ঘি মিশিয়ে খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। যে কোন তরকারি রান্না করার সময় ঘি দিলে সেই খাবারের স্বাদ অনেকগুণ বেড়ে যায়। এই কারণে বিয়ে বাড়ি বা কোন অনুষ্ঠান বাড়িতে ঘি ব্যবহার করা হয়। সেই সাথে সকালের বা বিকেলের নাস্তার সময় রুটি বা চাপাতির সাথে ঘি মিশিয়ে বাড়তি স্বাদ যোগ করা যায়। মোটকথা, ঘি অনেক পদ্ধতিতেই খাওয়া যায়। কি কাজে ব্যবহার করা হবে তার উপর নির্ভর করে ঘি খাওয়ার নিয়ম তৈরি করা হয়। তবে খালি পেটে, গরম দুধের সাথে এবং অন্য কোন খাবারের সাথে ঘি খাওয়া যায়।
ঘি এর পুষ্টি উপাদান
আমরা জানি ঘি তৈরি করা হয় দুধ দিয়ে। একটি খাঁটি ঘি তে দুধের মধ্যে যে যে পুষ্টি উপাদান থাকে এখানেও ঠিক তাই থাকে। এগুলোর বাইরেও ঘি এর কিছু নিজস্ব পুষ্টিগুণ আছে.. ভিটামিন কে, ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই , ওমেগা থ্রি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
ঘি দিয়ে রূপচর্চা
আমরা প্রায় সময় দেখে থাকি প্রকৃতি থেকে পাওয়া বিভিন্ন উপাদান রূপ চর্চার কাজে ব্যবহৃত হয়। মধুর পরেই রূপ চর্চার কাজে ঘি বেশি ব্যবহার হয়। ঘি এর পুষ্টিগুণ বিবেচনা করে এর দ্বারা রূপচর্চার কিছু পদ্ধতি নিচে বর্ণনা করা হলো। একজন মানুষের যখন ঠিকমতো হজম হয় তখন তার শরীরে সঠিক মাত্রায় পুষ্টিগুণ পৌঁছায়। যা ধীরে ধীরে তার চেহারায় পরিবর্তন আনে। মোটকথা ঘি শুধু ত্বকে ব্যবহার করেই যে রূপচর্চা করা যায় তা নয়, নিয়মমতো খেলেও উপকার হয়। যাদের ত্বক সবসময় শুষ্ক থাকে তারা পানির সাথে ঘি মিশিয়ে নিয়মিত ত্বকে ম্যাসেজ করলে কয়েকদিনের মধ্যেই শুষ্কভাব দূর হয়ে যাবে। ঠোঁটের কালো বিশ্রী দাগ দূর করার জন্য ঘি ব্যবহার করা যেতে পারে। হাতের আঙ্গুলে ঘি লাগিয়ে তা দিয়ে ঠোঁট ম্যাসেজ করে কিছু সময়ের জন্য রেখে দিতে হবে। এভাবে প্রতিদিন কিছু সময় নিয়মিত ম্যাসেজ করলে ঠোঁটের কালো দাগ দূর হওয়ার সম্ভাবনা আছে। চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল চেহারার সৌন্দর্যের জন্য অনেক ক্ষতিকারক। কারণ এটি চেহারার আসল গুণাগুন নষ্ট করে। এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে ঘি ব্যবহার করে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। শুধু ঘুমানোর সময় আঙুলে ঘি নিয়ে তা ডার্ক সার্কেলের উপরে লাগিয়ে নিতে হবে। পরদিন সকালে সেগুলো পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এতে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই ডার্ক সার্কেল সমস্যা দূর হয়ে যাবে। চেহারার সজীবতা ফিরিয়ে আনতে ঘি, বেসন এবং দুধ এক সাথে মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করে তা ব্যবহার করা অনেক উপকারের। এতে চেহারার দুর্বলতা দূর হয়ে সজীবতা ও উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। চুলের আগা ফেটে যাওয়া সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেটে ঘি অনেক ভালো কাজ করে। গোসলের আগে প্রতিদিন চুলের আগায় ঘি লাগিয়ে এক ঘণ্টা রেখে দিয়ে হবে। নিয়মিত সেবনে চুলের আগা ফাটা বন্ধ হবে এবং চুল মসৃণ হবে। তারুণ্য ভাব ধরে রাখার জন্য ঘি অনেক উপকারী। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত পরিমাণমতো ঘি রাখলে তা শরীরের তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
ঘি খেলে কি মোটা হয়
ঘি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর, যা পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে। তাই বলা যায় ঘি ওজন বাড়াতে নয়,বরং ওজন ঝরাতে কার্যকর। রান্নায় তেলের বদলে ঘি ব্যবহার করতে পারেন।
রাতে ঘি খেলে কি হয়
রাতে দুধ এবং ঘি খেলে তা ত্বকের আর্দ্রতা বাড়ায়। জেল্লা ফিরিয়ে আনতেও সাহায্য করে। নিয়মিত ঘি-সহ দুধ খাওয়া যৌন জীবনের পক্ষেও ভাল। এটি বীর্য উৎপাদনের সঙ্গে যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
ঘি খেলে কি ওজন বাড়ে?
ঘি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর, যা পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে। তাই বলা যায় ঘি ওজন বাড়াতে নয়,বরং ওজন ঝরাতে কার্যকর। রান্নায় তেলের বদলে ঘি ব্যবহার করতে পারেন।
প্রতিদিন কতটুকু ঘি খাওয়া উচিত?
এতে অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে। যা আপনি অন্য কিছুতে পাবেন না। এখন প্রশ্ন হল দিনে ঠিক কত চামচ ঘি খেতে হবে? যে ব্যাক্তির কোন প্রকার রোগ নেই তার প্রতিদিন ৬-৮ চামচ ঘি খাওয়া উচিত।
গর্ভবতী মায়ের ঘি খাওয়ার উপকারিতা
ঘি ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ওমেগা–৯ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। ঘিয়ের অনেক স্বাস্থ্যকর উপকারিতা রয়েছে, তবে গর্ভাবস্থায় এর উপকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হয় না। তবে, ভারতীয় সংস্কৃতিতে ঘি নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে একজন গর্ভবতী মহিলাকে উপকৃত করে বলে বিশ্বাস করা হয়। এটি গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দিতে পারে। এটি শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করতে পারে। এটি একটি মহিলার হজম ক্ষমতাকে উন্নত করতে সহায়তা করে। এটি শিশুর লালনপালনে সহায়তা করে। এটি প্রসব শ্রমে স্বাচ্ছন্দ্যে সহায়তা করে। বাজার থেকে সংগ্রহ করা ঘি বা স্বচ্ছ মাখনের তুলনায় বাড়ির তৈরি ঘি একটি ভাল এবং স্বাস্থ্যকর বিকল্প। আপনি প্রথম ত্রৈমাসিকে দেশি ঘি খাওয়া শুরু করতে পারেন, তবে আপনার যদি খুব বেশি ওজন বেড়ে যায় বা যদি ইতিমধ্যে আপনার ওজন বেশি হয় তবে আপনার চিকিত্সকের সাথে পরামর্শের পরেই কেবলমাত্র ডায়েটে দেশি ঘি অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
