ভেজাল তেল খেয়ে আপনি হয়তো বড় ধরনের রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।সুতরাং সাবধান।
সাতক্ষীরা মধু ভান্ডার আপনাদেরকে শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছে ইনশাল্লাহ ভেজাল পাবেন না।ভেজাল দেইনা হারাম খাই না।
আপনার পছন্দের পণ্যটি সিলেক্ট করুন।
অর্ডার করতে নিচের ফর্মটি পূরণ করুন
আমাদের সরিষার তেল কেন খাবেন?
আসসালামুয়ালাইকুম। ভেজাল তেল আপনার কিডনি পর্যন্ত নষ্ট করে দিতে পারে। দুই টাকা বাঁচাতে গিয়ে ভেজাল তেল খেয়ে আপনি হয়তো বড় ধরনের রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। আল্লাহ মাফ করেন। এদিক থেকে সাতক্ষীরা মধু ভান্ডার আপনাদেরকে শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ আমরা নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সরিষা কালেক্ট করে তারপর তা আমাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানকৃত মিলে মারাই করে তারপর আপনাদের কাছে সরবরাহ করি। সুতরাং এখানে তেলে ভেজাল থাকার কোন ধরনের চান্স নেই।
সরিষার তেল উৎপাদন
সরিষার তেল উৎপাদন প্রক্রিয়াটি সাধারণত তিনটি প্রধান ধাপে বিভক্ত করা হয়: সরিষার বীজ প্রক্রিয়াকরণ এই ধাপে, সরিষার বীজগুলি পরিষ্কার, শুকানো এবং ভাজা হয়। পরিষ্কারকরণ প্রক্রিয়াতে, বীজগুলি থেকে অপরিচ্ছন্নতা এবং পোকামাকড় অপসারণ করা হয়। ... তেল নিষ্কাশন এই ধাপে, সরিষার বীজ থেকে তেল নিষ্কাশন করা হয়।
খাঁটি সরিষার তেল চেনার উপায়
সরষের তেলে ভেজাল আছে কি না তা বোঝার একটি খুবই সহজ ঘরোয়া উপায় হলো হাতের তালুতে আঙুল দিয়ে ঘষে দেখা। আপনার হাতের তালুতে একটুখানি সরিষের তেল নিয়ে তারপর তা খানিকক্ষণ ঘষে নিন। যদি তেলের রঙ ছেড়ে যেতে শুরু করে, কোনোও আলাদা গন্ধ পান বা চিটচিটে ভাব অনুভব করেন তবে বুঝে নেবেন সেই তেল ভেজালমিশ্রিত।
খাঁটি সরিষার তেলের উপকারিতা
১। হজম প্রক্রিয়া সরিষার তেল হজম প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে এবং মেটাবলিক রেট বৃদ্ধি করে। ২। ব্যথা কমায় সরিষার তেলে থাকা প্রদাহ বিরোধী (Anti-inflammatory) উপাদান ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। হাঁটুর ব্যথা, অন্যান্য জয়েন্টের ব্যথা, আর্থ্রাইটিস (বাত) এবং রিউম্যাটিক এর ব্যথাও দূর করে। ৩। ক্যান্সার রোধক এই তেলে থাকা গ্লুকোসিনোলেট (Glucosinolate) নামক উপাদান মলাশয় ক্যান্সার এবং অন্ত্রের ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে। ৪। ফুসফুস পরিষ্কার সরিষার তেল এক ধরণের ডিকঞ্জেস্টেন্ট বা শ্বাসতন্ত্র পরিষ্কারক। এই তেলের সাথে রসুন মিশিয়ে বুকে ও পিঠে লাগালে কফজনিত সমস্যার সমাধান হয়। ৫। হৃদিপিন্ড সুস্থ রাখে সরিষার তেল সরিষার তেলে থাকা মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ভাল কোলেস্টেরল বৃদ্ধি ক’রে হৃদরোগের ঝুঁকি ৭০% কমিয়ে আনতে পারে। ৬। এজমা রোগে সরিষার তেল এজমা এটাক (Asthma attack) হলে সরিষার তেল বুকে ঘষলে শ্বাস নেয়ার ক্ষমতা বেড়ে যায়। সবসময় এর ব্যবহার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ৭। ত্বক ও চুলের যত্নে সরিষার তেল শীতের সময় এই তেল ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয় এবং শরীর গরম থাকে। এই তেলের ব্যাক্টেরিয়া এবং ফাঙ্গাস বিরোধী গুণাগুণ ত্বক ও চুলকে উজ্জ্বল করে তুলে। এই তেল ব্যবহার করলে ত্বক কখনই কালো হয় না বরং ত্বকের টোনের উন্নতি হয়। ৮। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নাভিতে কয়েক ফোঁটা সরিষার তেল দিলে সুফল পাওয়া যায়। ৯। স্মরণশক্তি বৃদ্ধি ও চেতনার উন্নয়নে সরিষার তেল স্মরণশক্তি বৃদ্ধি ও চেতনার উন্নয়নে সহায়তা করে। ১০। মাসিকের ব্যথা মেয়েদের মাসিকের ব্যথা এবং গ্যাস ও বদহজম জনিত পেটের ব্যথায় সরিষার তেল পেটে মালিশ করলে সুফল পাওয়া যায়। ১১। পোকামাকড় এবং মশা তাড়ানো পোকামাকড় এবং মশা তাড়ানোর জন্য ঔষধ হিসাবে সরিষার তেল ব্যবহৃত হয়। এর গন্ধে পোকামাকড় কাছে ঘেঁষে না। ১২। ওজন কমাতে সরিষার তেল রিবোফ্ল্যাভিন (Riboflavin) ও নায়াসিন (Niacin) সমৃদ্ধ সরিষার তেল শরীরে মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে। ১৩। দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় সুস্থ দাঁত ও জিঞ্জাভাইটিস ও পেরিওডন্টাইটিস রোগ প্রতিরোধে সরিষার তেল সহায়ক। ১/২ চা চামচ সরিষার তেল + ১ চা চামচ হলুদের গুঁড়া + ১/২ চা চামচ লবন মিশিয়ে দাঁত ও মাড়িতে হালকা করে দু’বেলা ঘষুন।
রান্নায় সরিষা ব্যবহার করার উপকারিতা
অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধ করে ত্বক আর্দ্র রাখে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে মাথা ব্যথা উপশম করে হজমে সাহায্য করে
রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহারে ৭ রোগের ঝুঁকি কমে
১. হৃদরোগজনিত জটিলতায় কারণে বিশ্বে প্রতিবছর অনেক মানুষ মারা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, সরিষার তেলে থাকা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। ২. গবেষণায় দেখা গেছে, সরিষার তেলে থাকা ওমেগা থ্রি পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। ৩. এই তেল রান্নায় ব্যবহারে করলে শতকরা ৫০ ভাগ টিউমারের আশঙ্কা কমে যায়। ৪. সরিষার তেলে থাকা অ্যালিল আইসোথিয়োকানেট উপাদান মূত্রাশয়ে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ৩৪ ভাগ কমায়। ৫. সরিষার তেলে থাকা অ্যান্টিবমাইক্রোবিয়াল উপাদান হজমশক্তি উন্নত করে ও দাঁতের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। ৬. প্রদাহজনিত সমস্যা কমাতে সরিষার তেলের খুব ভালো কাজ করে। ৭. সরিষার তেলে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম থাকায় ওজন কমায়।
সরিষার তেল খাওয়ার নিয়ম
আপনি অনেক ভাবেই সরিষার তেল খাওয়ার নিয়ম করে খেতে পারেন। সর্বজনীনভাবে সরিষার তেলের ব্যবহার কম হলেও এই তেলের গুণাগুণ ও সরিষার তেল খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে যাঁরা জানেন তাঁরা নিয়মিতই তাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করে থাকেন। প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক, সরিষা তেল আমরা কিভাবে পেয়ে থাকি। আমরা অনেকেই জানি যে, সরিষাবীজ থেকে তৈরি হয় সরিষার তেল। যা দেখতে গাঢ় হলুদ বর্ণের এবং বাদামের মতো সামান্য কটু স্বাদ ও শক্তিশালী সুবাসযুক্ত তেল। এই তেল কে স্বাস্থ্যকরি তেলও বলা হয়। কারন এতে ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ ও আরো অন্যান্য গুনাগুনের উৎস থাকে। বিভিন্ন ভোজ্য তেলের ওপর করা তুলনামূলক সমীক্ষায় করে দেখা গেছে, ৭০ ভাগ হৃৎপিণ্ড–সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমায় এই তেল। সরিষার তেল ব্যবহারে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়, যা হৃদ্রোগের আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। এছাড়াও শীতের সুস্থতায় প্রতিদিন নিয়ম করে নাভিতে এক ফোটা করে তেল ও গোসলের আগে বুকে ও শরিরে মেখে গোসল দিতে পারেন। এতে ঠান্ডা সর্দি জনিত সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এছাড়াও শরীরকে সরিষার তেল গরম করে বিধায় শীতের দিনে গোসল দিতে সমস্যা হয় না তেমন। ফলে শীতের সুস্থতায় অনেক ভালো কাজ করে এই তেল।
সরিষার তেল কি কি ভাবে খাওয়া যায়?
আপনি অনেক ভাবেই সরিষার তেল খেতে পারেন। প্রতি দিনের রান্না থেকে শুরু করে সর্দি, কাশি বা ঠান্ডা জনিত সমস্যার সমাধানের কার্যকর। এমন কি অনেক ব্যাথা বা ত্বক ও চুলের যত্নে সরিষার তেল আপনি মেখেও ব্যবহার করতে পারেন। কি কি ভাবে সরিষার তেল খাওয়া যায় এই বিষয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
প্রতিদিনের রান্নায় সরিষার তেল
প্রতিদিনের রান্নায় সরিষার তেলের ব্যবহার প্রধান উপকরন হিসাবে সরিষার তেল হবে আপনার জন্য বেস্ট চয়েজ। কারন এই তেল যেমন খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেয় তেমনি স্বাস্থ্যকর করে। যে সয়াবিন তেল রান্না ঘরের প্রধান জায়গা টি দিয়ে রেখেছেন তার ইতিহাস সম্পর্কে একটু গুগোলে সার্চ দিলেই বুঝতে পারবেন তার ইতিহাস সম্পর্কে। যখন প্রথম সয়াবিন তেল বা পামওয়েল বাজারে আসে তখন মূল্যের দিক থেকে অনেক কম ছিল। তাই আমরা সবাই এর কার্যকরি গুনাগুন তেমন না বুঝেই কম দাম ও দেখতে কিছু টা ইউনিক হওয়ার বাড়িতে আনা শুরু করি। কিন্তু বর্তমান এই স্মার্ট যুগে আমরা যদি একটু খেয়াল করি সয়াবিন তেল আর সরিষার তেলের দাম কিছুটা কাছাকাছি। এবং গুনাগুনের দিক চিন্তা করলে সয়াবিন তেলের চেয়ে রান্নার ভোজ্য তেল হিসাবে সরিষার তেল অনেকগুন স্বাস্থ্যসম্মত। তাই আপনি প্রতিদিনের রান্নায় সরিষার তেলের ব্যবহার করতে পারেন নিশ্চিন্তে। যে কোন ভাজি, তরকারী, বিরিয়ানী, ফাস্ট ফুড রান্না থেকে শুরু করে যে কোন রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনার খাবারের স্বাদ যেমন ইউনিক ও আরো বাড়বে তেমন আপনার শরীরের জন্য উপকারী হবে। উদাহরন স্বরূপ, আপনি কি কখনো ভেবেছেন? সরিষা তেলেই কেন ইলিশ মাছ ভাজি ও সরিষা ইলিশের স্বাদ অনেক বেশি হয়? এখনো আমরা যদি বাসায় ইলিশ মাছ নিয়ে আসি তবে আগে ভাজি ও সরিষা ইলিশের কথা চিন্তা করি। এর কারন একটাই সরিষার তেলের রান্না অনেক টেস্টফুল হয়। এছাড়া এখনো অনেক রেস্টুরেন্টে কাচ্ছি বিরিয়ানী বা মাটন বিরিয়ানী তে সরিষার তেল ব্যবহার করা হয়। এবং অন্যান্য রেস্টুরেন্টের তুলনায় তাদের বিরিয়ানীর স্বাদ অনেকের তুলনায় অনেক বেশি। এর উচ্চমানের সুস্বাদের পিছনে কোন রকেট সাইন্স না থাকলেও সরিষার তেলের অবদান রয়েছে। আপনি যদি চিকিৎসা বিজ্ঞানকে মানেন তবে একথা বলতেই হয়, সরিষার তেল শরীর এবং ত্বকের অনেক উপকারে নানাভাবে কাজে লাগে। তাই সরিষার তেল খেলে শরীরের কোন ক্ষয় ঘটবে, এমনটা ভিত্তিহীন। বরং প্রতিদিনের ডায়েটে এই তেলটিকে অন্তর্ভুক্ত করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। এছাড়াও , ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ, সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমানো, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, আর্থ্রাইটিস রোগের কষ্ট কমানো, শ্বাস কষ্ট দূর, ক্যান্সার রোগের প্রকোপ কমানো, হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ানো, ত্বকের ও চুলের যত্নে এটি অনেক উপকার পাওয়া যায়। যা আপনি আমাদের বর্তমান নিউজ পেপার থেকে শুরু করে অনেক স্বাস্থ্য বিশেজ্ঞ ডাক্তারগন পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এছাড়াও রান্নায় সরিষার তেলের ব্যবহারে কি কি উপকার হয় সে সম্পর্কে আপনি যদি না জেনে থাকেন তবে রান্নার জন্য খাটি সরিষার তেলের উপকারিতা এই আর্টিকেল টি পড়ে, জেনে নিতে পারেন।
বিভিন্ন মুখরোচক মাখায় সরিষার তেল
বাসায় বা অফিস কিংবা যেকোন জায়গায় মুরি মাখার কথা মাথায় আসলেই আগে সরিষার তেল সবার দরকার হবে। খাটি সরিষার তেলে মুরি মাখার কোন বিকল্প নেই। বিভিন্ন মুখরোচক মাখা যেমন, মুরি, চানাচুর, ঝালমুরি, চিড়া, বুট, বাদাম, চাউল চিড়া, ভাজা চালের মাখা ইত্যাদিতে স্বাদ বাড়াতে ও খেতে এই তেল ব্যবহার করা হয়। আমরা দৈনন্দিন জীবনে অনেক ক্ষেত্রে সরিষার তেল ব্যবহার করলেও তা ঠিক ভাবে লক্ষ্য করি না। আমরা যে তেল সরাসরি বিভিন্ন মাখায় খেয়ে থাকি আর স্বাদ নিয়ে থাকি। তা একবারেও চিন্তা করি না যে এটা রান্নায় আরো কত স্বাদ ও উপকারী হবে।
বিভিন্ন রকমের ভর্তায় সরিষার তেল
বিভিন্ন রকমের ভর্তায় সরিষার তেল ব্যবহার হয়ে আসতে বহুদিন আগে থেকেই। ভর্তা মানেই সরিষার তেল। এই তেল ছাড়া যেন ভর্তা একদম বেস্বাদ বা কারো কাছেই ভালো লাগে না। বিভিন্ন রকম ভর্তা যেমন, আলু ভর্তা, বেগুন ভর্তা, পটল ভর্তা, মাছ ভর্তা, সবজি ভর্তা, বিভিন্ন শাক ভর্তা, শিদল ভর্তা থেকে শুরু করে সকল ভার্তায় পরিমান মতো সরিষার তেল ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
ঔষদ হিসাবে সরিষার তেল
আগে যদি আমাদের ছোট বেলায় ঠান্ডা বা শ্বাস কষ্ট হতো তবে রসুন ও সরিষার তেল মা বুকে মালিশ করে দিত। অনেক সময় হাত পা মজবুতের ও ব্যাথার সমস্যার মুক্তির জন্য সরিষার তেল ব্যবহার করা হত। এমন কি মাথা তেও। শীতের সময় ত্বক যত্ন ও কাশি তে ১-২ চামুচ সরিষার তেল খেলে অনেক টাই রিলিফ পাওয়া যায়। অনেক বাতের ব্যাথা থেকে শরীরের ব্যাথা দূর করতে সরিষার তেলের উপকারের অন্ত নেই। সরিষা তেল ব্যবহারের আগে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে জেনে নিতে আপনার ব্যবহার করা সরিষার তেল খাঁটি নাকি ভেজাল যুক্ত? ভেজাল সরিষার তেল বা নকল তেল ব্যবহারের ফলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা সবসময় বেশী থাকে। তাহলে যেকোনো সরিষার তেল আমাদের জন্য কি উপকারী হবে? সত্যিকার অর্থে এর উত্তর হবে, নাহ। দোকানের খোলা সরিষার তেলে ভেজাল মিশ্রিত থাকে, যা ব্যবহার করলে নানা রকম অসুস্থ হবার সম্ভাবনা থাকে। তাই খাঁটি সরিষার কেনার ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে এবং খাটি ঘানিতে ভাংগা সরিষার তেল আগে নির্বাচন করতে হবে । এরপর তা কিনে রান্নায় ব্যবহার করতে হবে। খাটি জিনিসে সুস্বাস্থ্য ও ভেজালে বিষ। তাই ভালো খাবার খান, সুস্থ থাকুন ও খাটি সরিষার তেল বিন্নি ফুড থেকে নিয়ে নিরাপদে বাচুন।
