অর্গানিক ফুড এর বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।আপনাদের বিশ্বাস ই আমাদের আশ্বাস। দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী

আপনার পছন্দের পণ্যটি সিলেক্ট করুন।

অর্ডার করতে নিচের ফর্মটি পূরণ করুন

Billing details
Your order
Product Subtotal
img

সুপার কোয়ালিটি A গ্রেড 2 কেজি সরিষা ফুলের মধু

×(1)

950 ৳
Subtotal 950 ৳
Shipping
Total 958 ৳
আমাদের মধু কেন নিবেন

আমরা একদম মাঠ পর্যায়ে থেকে সংগ্রহ করে তারপর আপনাদের কাছে মধু সরবরাহ করি। সুতরাং এখানে ভেজাল করার মত মাঝখানে কোন মাধ্যম নাই। কারণ সাতক্ষীরা মধুভাণ্ডার অচেনা অ যাচাইকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে অ যাচাইকৃত মধু কিনে তারপর আপনাদের কাছে সাপ্লাই দেয় না। নিঃসন্দেহে পছন্দ করতে পারেন আমাদের পণ্য। আমরা আপনাদের ওয়াদা দিয়েছি ইনশাআল্লাহ ভেজাল পন্য দিবনা।আর ওয়াদা ভঙ্গ করা মুনাফিকের লক্ষণ। সুতরাং কথা কাজে মিল পাবেন ইনশাআল্লাহ। ⁉ভেজাল দেইনা হারাম খাইনা ⁉

সরিষা ফুলের প্রাকৃতিক RAW মধুর ৬ টি বৈশিষ্ট্য

টাটকা মধু দেখতে সাধারণত Extra Light Amber রঙের হয়। তবে কিছু দিন পরে জমে যাওয়ার ফলে সাদা রঙের হয়ে যায়। সরিষার জমা মধু কারো কাছে অত্যান্ত পছন্দের আবার কারো কাছে অপছন্দের। ঘ্রাণ অনেকটা সরিষার ফুলের সাথে মিল খুঁজে পাওয়া যায়। মধুর ঘনত্ব কম বা বেশি হতে পারে। মধু পাতলা হলে ফেনা হতে দেখা যায়। আর ঘনত্ব বেশি হলেও সরিষা মধুতে অনেক সময় সামান্য ফেনা হতে পারে। সরিষা ফুলের মধু ঘন হোক বা পাতলা হক- এটা সারা বছরই জমে থাকে। ঘন-পাতলা এবং তাপমাত্রার উপরে নির্ভর করে সম্পূর্ণ মধু বা বেশীরভাগ মধু জমে সাদা হয়ে থাকে। যেটা একেবারে ক্রিম এর মতো দেখা যায়।

সরিষা ফুলের মধু কখন এবং কিভাবে সংগ্রহ করা হয়?

বাংলাদেশে সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহের সময় সাধারণত নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত। মাঠে যখন প্রচুর পরিমাণে সরিষা ফুল ফুটতে শুরু করে তখন মৌ চাষিরা তাদের মৌ বাক্স গুলো সরিষার ক্ষেতের পাশে স্থাপন করে। তারপর ফুল বৃদ্ধি হওয়ার সাথে সাথেই মৌমাছিরা ওই এলাকা থেকে মধু সংগ্রহ করে তাদের মৌ বাক্সে জমা রাখে। এভাবেই তৈরি হয় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক সরিষা ফুলের খাঁটি মধু

সরিষা ফুলের মধু চেনার উপায়

চেনার উপায় বোতলে রাখা সরিষা ফুলের মধুর পুরোটাই জমে যেতে পারে অথবা বেশীর ভাগ অংশ বা আংশিক জমে যাবে। সরিষা ফুলের মধু জমে অনেকটা ঘি-এর রূপ ধারণ করে। জমে যাওয়া মধু মোলায়েম, নরম, ছোট ছোট দানাদার হবে।

সরিষা ফুলের RAW মধু তে কেন ফেনা হয়?

সরিষা ফুলের প্রাকৃতিক Raw মধু অনেক সময় ফেনা হতে দেখা যায়। যা দেখে একজন সাধারণ মধু ক্রেতা, মধু খাঁটি হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করেন। কিন্তু এই সন্দেহ টি একেবারেই সঠিক নয়। নিচে তার Scientific ব্যাখ্যা দেওয়া হলঃ সরিষা ফুলের প্রাকৃতিক Raw মধু তে অ্যাক্টিভ এনজাইম, প্রোটিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। এবং মধু একটি কার্বোহাইড্রেট জাতীয় পদার্থ যাতে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ থাকে। আর গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ- কার্বন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত। এ জন্য সরিষা ফুলের প্রাকৃতিক Raw মধুতে যদি ময়েশ্চারের পরিমাণ বেশি থাকে, অর্থাৎ মধুর ঘনত্ব কম হয় বা মধু পাতলা হয় এবং মধু যদি ঝাঁকি লাগে, তখন মধুর মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড তৈরি করে। এতে মধুর মধ্যে বায়ু বুদবুদ সৃষ্টি হয় এবং একই সাথে মধু ফেনা হতে দেখা যায় ও পাত্রের ভেতরে গ্যাস হতে পারে, যার ফলে প্ল্যাস্টিক এর বোতল কিছুটা ফুলে যেতে পারে। লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে- ফেনা কম বা বেশি হবে ময়েশ্চারের পরিমাণ কম-বেশির কারনে। তবে সরিষা মধু যদি খুব ঘনও হয় তারপরও অনেক সময় সামান্য ফেনা হতে দেখা যায়। মধুতে ফেনা তৈরি হলে সেটাকে কিছুক্ষণ স্থিরভাবে রেখে দিলে আবার সেই ফেনা মধুতে পরিণত হবে। এতে মধুতে কোন ক্ষতি বা সমস্যা হবে না।

সরিষা ফুলের মধুর আধুনিক চিকিৎসায় ব্যবহার

সরিষা ফুলের মধু একটি প্রাকৃতিক উপাদান, যা আধুনিক চিকিৎসায় ব্যবহার করা হচ্ছে, বিশেষভাবে তার বিশিষ্ট গুণগুলির জন্য। সরিষা ফুলের মধু, হৃদরোগ, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, গ্যাস্ট্রিক এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হতে পারে।

মধু জমে যায় কেন? মধু বিশেষজ্ঞদের মতামত এবং সতর্কতা

মধু জমে যাওয়া নিয়ে বিড়ম্বনার যেন শেষ নেই আমাদের৷ প্রতিবছর শীত আসলেই আমাদের দেশে মধু খাওয়ার প্রবণতা একটু বেশিই লক্ষ্য করা যায়৷ আবার, এই শীতকালেই মধু জমে যাওয়া নিয়ে আমাদের বেশি বিড়ম্বনায়ও পড়তে হয়৷ খাঁটি মধু কি আসলেই জমে যায়? মধু জমে যাওয়ার কারণ কি? মধু জমে গেলে সেটি কি আর খাওয়া যাবে? এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতে আপনাদের সাথে আছি আমি তুষার মাহমুদ৷ এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়লে আশা করছি মধু জমে যায় কেন এসম্পর্কিত আপনার সকল কৌতূহল দূর হয়ে যাবে৷

রূপচর্চায় মধুর ব্যবহার

লাবণ্যময় চেহারার জন্য মধু বেশ উপকারি। প্রতিদিন এক চামচ মধু মুখে মেখে ১০ মিনিট রাখলে ত্বক আর্দ্র হওয়া থেকে রক্ষা করে, এবং চেহারার উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। আর এই কাজটি নিয়মিত করলে দীর্ঘমেয়াদি ফল পাওয়া সম্ভব। এছাড়াও মধুতে থাকা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল বা জীবাণুনাশক উপাদান মুখের ব্রণ এবং কালচে ভাব দূর করে। আর এই সুফল পাওয়ার জন্য এক চামচ মধু সাথে পরিমাণ মত নারিকেল তেল মিশিয়ে মুখে লাগালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

জমে গেলেই কি মধু ভেজাল?

আমি নিজেও একসময় মধু জমে যাওয়া দেখলেই ধরে নিতাম মধুতে চিনি মেশানো ৷ অনেক আগের কথা, আমাদের বাড়িতেও একবার মধু জমে যাওয়া দেখে সম্পূর্ণ মধুটা ফেলে দেয়া হয়েছিল। আমার বিশ্বাস হয়তো আপনার বাড়িতেও ঘটেছে এমন ঘটনা৷ তারপর, ২০১৮ সাল থেকে মধু নিয়ে আমার কাজ করার সুবাদে অনেক অভিজ্ঞতা হল আস্তে আস্তে৷ পাশাপাশি, কৌতূহলবশত অনেক পড়াশুনাও করেছি মধু নিয়ে। আসলে মধুর জগৎটা এতই বৃহৎ। আপনি যদি মধু নিয়ে পড়াশুনা না করেন বা নিয়মিত মধু পান না করে থাকেন, তবে আপনি হয়তো মধু সম্পর্কে অনেক কিছুই জানবেন না৷ আর এই কারণেই আমাদের দেশে মধু নিয়ে অনেক অবৈজ্ঞানিক কুসংস্কারের প্রচলন রয়েছে৷ মধু নিয়ে কাজ শুরু করার প্রথম বছরের একটি ঘটনা বলি আপনাদের। আমি সবসময় চেষ্টা করি নিজে উপস্থিত থেকে প্রাকৃতিক মৌচাকের মধু সংগ্রহ করার৷ তো সেবার শীতের মৌসুমে দিনাজপুর অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামগঞ্জ ঘুরে প্রাকৃতিক মৌচাকের মধু সংগ্রহ করে আনা হল৷ ঠিক তার মাস দুয়েকের মধ্যেই আমাদের সংগৃহীত অধিকাংশ মধুই জমে ক্রীমের মত হয়ে গেল। মধুর হলুদাভ রং পরিবর্তিত হ সাদা রং ধারণ করলো৷ যেহেতু মধুটা খাঁটি মধু এ নিয়ে সংশয়ের কোন অবকাশ ছিল না, সেহেতু বুঝতে আর বাকি রইলো না যে খাঁটি মধু আসলেই জমে যায়৷ সুতরাং, জমে গেলেই যে মধুটা ভেজাল এটি বলার আসলেই কোন সুযোগ নেই৷

চুলের যত্নে মধুর ব্যবহার

মধু একটি ন্যাচারাল কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, যা চুলের সৌন্দর্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং চুলের স্বাস্থ্য বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

মধু জমে যাওয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাঃ

উইকিপিডিয়া এর তথ্যমতে, মধুতে বিদ্যমান প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদানের মধ্যে গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজ হল অন্যতম৷ মধুতে গ্লুকোজের পরিমাণ প্রায় ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ এবং ফ্রুক্টোজের পরিমাণ প্রায় ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ৷ এগুলোর গড় মান হিসাব করলে দেখা যাবে যে, মধুতে ৭০ শতাংশই হল গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজ৷ আর বাকি ৩০ শতাংশ এর মধ্যে প্রায় ১৮ শতাংশ পানি বা আর্দ্রতা এবং বাকি অংশে এ্যামাইনো এসিড সহ বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানসমূহ বিদ্যমান থাকে৷ আশ্চর্যজনক ব্যাপার হল, মধুতে বিদ্যমান প্রায় ৭০ শতাংশ গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজ কিনা মাত্র ১৮ শতাংশ পানির সঙ্গে দ্রবীভূত থাকে প্রাকৃতিকভাবে৷ যেখানে, ৭০ শতাংশ গ্লুকোজ কিংবা সুক্রোজ (চিনি) এর সঙ্গে বাকি ৩০ শতাংশ পানি যোগ করেও দ্রবণ তৈরি করা অসম্ভব৷ চাইলে আপনার বাসাতে এটি চেষ্টা করে দেখতে পারেন, দেখবেন যে পাত্রের তলায় গ্লুকোজ বা সুক্রোজ (চিনি) অদ্রবীভূত অবস্থাতেই রয়ে যাবে৷ প্রাকৃতিকভাবে মধুতে বিদ্যমান এই মাত্রাতিরিক্ত গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজের পরিমাণই এই প্রাকৃতিক দ্রবণটিকে (মধু) অস্থিতিশীল করে তোলে। মহান আল্লাহ তা’আলা এমনভাবে প্রকৃতিকে সৃষ্টি করেছেন যে, প্রকৃতি সবসময় চায় ভারসাম্য রক্ষা করতে। আর ঠিক একারণেই মধু জমে যায়। মধুতে বিদ্যমান পানি থেকে গ্লুকোজ আলাদা হয়ে যেয়ে স্ফটিক আকারে জমতে শুরু করে এবং আস্তে আস্তে এই প্রাকৃতিক দ্রবণটি (মধু) সাম্যাবস্থায় ফিরে আসে। মধু জমে যাওয়ার এই প্রক্রিয়াটিকে মধুর স্ফটিকায়ন বলা হয়৷ এটি মধুর একটি ভৌত বৈশিষ্ট যা প্রাকৃতিকভাবেই ঘটে থাকে৷ স্ফটিকায়ন প্রক্রিয়ায় যে প্রভাবকগুলি কাজ করেঃ মধুতে বিদ্যমান গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ ছাড়াও অন্যান্য যে খাদ্য উপাদানগুলি রয়েছে, যেমনঃ এমাইনো এসিড, প্রোটিন, খনিজ পদার্থ, ভিটামিন ইত্যাদি এগুলিও এই স্ফটিকায়ন বা জমে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। ধুলিকণা, ফুলের পরাগরেণু, মৌচাকের মোমের কণাও এই স্ফটিকায়নের গতি তরান্বিত করতে পারে। এছাড়া আরো কিছু প্রভাবক রয়েছে যেমন, তাপমাত্রা, বাতাসের আর্দ্রতা, পাত্রের ধরণ এগুলিও মধুর এই জমে যাওয়ার প্রক্রিয়াতে বেশ প্রভাব ফেলে৷ সাধারণত নিম্ন তাপমাত্রায় যেমন শীতকালে মধু জমতে বেশি দেখা যায়৷ কাঁচের পাত্রে সংরক্ষণ করা মধুর চেয়ে প্লাস্টিক পাত্রে সংরক্ষণ করা মধু দ্রুত জমতে পারে৷ আবার, তরল মধুতে এক ফোঁটা জমে যাওয়া মধু মিশিয়ে দিলেও মধুটি দ্রুত জমতে শুরু করবে৷

চায়ের সাথে মধুর উপকারিতা

দৈনন্দিন জীবনে আমরা প্রায় সবাই কমবেশি চা পান করার সাথে অব্যস্ত। আর এই চা যেমনই হোক না কেন তাতে মিষ্টি স্বাদ না হলে যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। চায়ে মিষ্টতা আনতে আমরা সব চেয়ে বেশি চিনি ব্যবহার করি। আর এতেই বিপত্তি ঘটে! কারণ নিয়মিত চিনি গ্রহণ করায় দিন দিন ডায়াবেটিস সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ফলে বিশেষজ্ঞরা বরাবরই চায়ে চিনি পরিহার করার পরামর্শ দেন। তবে একাধিক গবেষণার ফলাফল থেকে জানা যায়, চায়ে মিষ্টি স্বাদ পেতে চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহার উত্তম একটা উপকরণ। এক কাপ গরম চায়ে পরিমাণমত মধু মিশ্রিত করে পান করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালনে উন্নতি ঘটে। এছাড়াও পুরাতন কাশি থাকলে তা সেরে যায়। বিশেষ করে গ্রিন টি বা হার্বাল টি এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে মানবদেহের ভোকাল কর্ড বা স্বরতন্ত্রী অনেক উপকার হয়। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এটি শরীরের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এবং ইনসুলিন স্তর উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। হৃদরোগে সাহায্য করে সরিষা ফুলের মধুতে হার্ট হেলদি ফ্যাট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা হৃদরোগে সাহায্য করতে পারে। এটি কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড স্তর কমিয়ে হার্ট ডিজিজ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। শক্তি এবং পুষ্টি বৃদ্ধি করে সরিষা ফুলের মধু ভিত্তিতে রয়েছে মিনারেল, ভিটামিন, এবং পুষ্টিকর বিভিন্ন উপাদান, যা শরীরের প্রতি দিনের প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করতে সাহায্য করে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে সরিষা ফুলের মধু অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং অসুস্থতা ও রোগ-জীবাণু থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।

সব মধু জমে না কেন?

প্রাকৃতিকভাবে যে মধুতে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি যেমন সরিষা মৌসুমের মধু, ধনিয়া মৌসুমের মধু, লিচু মৌসুমের মধু সেগুলি দ্রুত জমতে দেখা যায়৷ আবার, প্রাকৃতিকভাবে যে মধুতে গ্লুকোজের পরিমাণ কম সেটি খুব ধীরে জমে বা তেমন একটা জমতে দেখা যায় না৷ যেমনঃ সুন্দরবনের মধু, একক কালোজিরা ফুলের মধু৷ তবে মধু বিশেষজ্ঞদের মতে, বিভিন্ন ফুলের বা মৌসুমের মধু ভিন্ন ভিন্ন হারে স্ফটিকায়িত হয়। আমাদের দেশের অধিকাংশ মধুই একটি নির্দিষ্ট সময় পরে জমে যায়৷ কোন মধু আংশিক জমে আবার কোন মধু সম্পূর্ণ জমে যায় এবং জমে যাওয়ার এই প্রক্রিয়া মধু সংগ্রহের ১/২ মাস থেকে ২ বছর পরেও শুরু হতে পারে৷ বাংলাদেশের বিশিষ্ট মধু গবেষক জনাব মঈনুল আনোয়ার এর সংগ্রহে বিশ্বের প্রায় সবকটি মহাদেশের মধু রয়েছে যার অনেকগুলি একটি নির্দিষ্ট সময় পরে আংশিক বা সম্পূর্ণ জমে গেছে৷ অর্থাৎ শুধু বাংলাদেশের মধু নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মধুও জমে যায়৷ বরং বহির্বিশ্বে এই জমে যাওয়া মধুর বেশ কদর রয়েছে৷ একে ক্রীম হানি বলা হয়ে থাকে৷ তাই, মধু জমে যাওয়া দেখে বিচলিত হবার কোন কারণই নেই৷ সাধারণত, মধু জমে গেলে নরম ক্রীমের ন্যায় হয়ে থাকে আবার শক্ত দানাদার ও হতে পারে৷ জমে যাওয়া মধুর রঙ অনেকটা সাদা বর্ণের৷

মধু জমে গেলে কি করবেন এবং জমে যাওয়া মধু খাওয়া যাবে কিনা?

এই প্রশ্নটা অনেকে প্রায়সই করে থাকেন আমাদের কাছে৷ ইতোমধ্যে আমরা জেনেছি, মধু জমে যাওয়া একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া৷ আর প্রকৃতিতে যেটি যে অবস্থাতে থাকে সেটি সেই অবস্থাতেই গ্রহণ করা সবচেয়ে উত্তম৷ মধু বিশেষজ্ঞদের মতে, কোন মধু জমে গেলে সেটি জমা অবস্থাতে খাওয়াই বেশি উপকারী হবে আমাদের শরীরের জন্য৷ তবে, আপনি চাইলে জমে যাওয়া মধু তরলে রুপান্তরিত করতে পারবেন৷ ফুটন্ত গরম পানিতে মধুর পাত্রটি রেখে দিলে বা দীর্ঘ সময় সূর্যের তাপে মধুর পাত্রটি রেখে দিলে জমে যাওয়া মধুটি পুনরায় তরলে পরিণত হবে৷ তবে এতে মধুর গুণাগুণ হ্রাস পেতে পারে৷ তাছাড়া, জমে যাওয়া মধুর স্বাদ খুবই চমৎকার৷ এটি খেতে অনেকটা গ্লুকোজের মত, যা বেশ মজাদার৷ বহির্বিশ্বে এই জমে যাওয়া মধু বা ক্রীম হানির খুবই চাহিদা রয়েছে৷ আপনি চাইলে রুটি বা ব্রেডের সঙ্গে কৃত্রিম জ্যাম-জেলির পরিবর্তে জমে যাওয়া মধু খেতে পারেন৷ এটি বেশ মজাদার এবং একই সঙ্গে মধুর উপকারিতাগুলিও পেয়ে যাচ্ছেন আপনি৷ সর্বোপরি, মধু জমে গেলে শুধুমাত্র মধুর রং এবং ভৌত অবস্থার (তরল থেকে দানাদারে রূপান্তর) পরিবর্তন ঘটে কিন্তু এতে মধুর গুণগত মানের কোন পরিবর্তন ঘটে না৷ অর্থাৎ, তরল মধু এবং জমে যাওয়ার মধুর উপকারিতা সমান৷ তাই, আপনি নিশ্চিন্তে জমে যাওয়া মধু খেতে পারেন৷

RECOMMENDED FOR YOU

Sale 20%

খাঁটি খেজুরের গুড়

  • ৳1500 ৳ 1800

Sale 15%

চিয়াসিড 2KG

  • ৳980 ৳ 1127

সরিষা ফুলের মধু 1 কেজি

  • ৳490

বরই ফুলের মধু 500 gram

  • ৳340

Sale 10%

লিচু ফুলের মধু 2 kg

  • ৳1100 ৳ 1210