অর্গানিক ফুড এর বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।আপনাদের বিশ্বাস ই আমাদের আশ্বাস। দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী

আপনার পছন্দের পণ্যটি সিলেক্ট করুন।

অর্ডার করতে নিচের ফর্মটি পূরণ করুন

Billing details
Your order
Product Subtotal
img

A গ্রেড - ঘন- BSTI অনুমদিত 2 kg লিচু ফুলের মধু

×(1)

950 ৳
Subtotal 950 ৳
Shipping
Total 1040 ৳
আমাদের মধু কেন নিবেন

আমরা একদম মাঠ পর্যায়ে থেকে সংগ্রহ করে তারপর আপনাদের কাছে মধু সরবরাহ করি। সুতরাং এখানে ভেজাল করার মত মাঝখানে কোন মাধ্যম নাই। কারণ সাতক্ষীরা মধুভাণ্ডার অচেনা অ যাচাইকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে অ যাচাইকৃত মধু কিনে তারপর আপনাদের কাছে সাপ্লাই দেয় না। নিঃসন্দেহে পছন্দ করতে পারেন আমাদের পণ্য। আমরা আপনাদের ওয়াদা দিয়েছি ইনশাআল্লাহ ভেজাল পন্য দিবনা।আর ওয়াদা ভঙ্গ করা মুনাফিকের লক্ষণ। সুতরাং কথা কাজে মিল পাবেন ইনশাআল্লাহ। ⁉ভেজাল দেইনা হারাম খাইনা ⁉

লিচু ফুলের মধুর বৈশিষ্ট্য, গুনাগুণ ও চেনার উপায়

বাংলাদেশে প্রাকৃতিক মৌচাকের যত ধরনের মধু পাওয়া যায় এর মধ্যে দিনাজপুরের লিচু ফুলের মৌসুমের প্রাকৃতিক মধু যা আমরা লিচু ফুলের মধু বলে চিনি খুবই সমাদৃত। সাধারণত মার্চ-এপ্রিল মাসে আমাদের দেশের যেসকল গ্রামাঞ্চলে প্রচুর লিচু বাগান রয়েছে তার আশেপাশে বুনো মৌমাছিরা মৌচাক তৈরি করে এবং লিচু ফুল থেকে নেকটার সংগ্রহ করে তাদের মৌচাকে জমা করে। এর পাশাপাশি এসময় বুনো মৌমাছিরা প্রকৃতিতে বিদ্যমান অন্যান্য গ্রীষ্মকালীন ফুল থেকেও নেকটার সংগ্রহ করে । এজন্য, এটিকে লিচু ফুলের মধু বললেও এটি মূলত মাল্টি – ফ্লোরাল মধু, তবে এতে লিচু ফুলের নেকটারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য থাকে। এর স্বাদ খুবই অনবদ্য এবং ক্রেতা সাধারণের মধ্যে এর চমৎকার স্বাদ এবং ঘ্রাণের জন্য খুবই জনপ্রিয় প্রাকৃতিক চাকের এই মধুটি। প্রাকৃতিক মৌচাকের মধুর পাশাপাশি লিচু ফুলের মৌসুমে মৌ-খামারীরা লিচু ফুলের বাগানে তাদের খামার স্থাপন করে থাকেন। সেখান থেকেও প্রচুর ভালো মনের মধু উৎপাদিত হয়। এই মধুর সিংহভাগই থাকে লিচু ফুলের নেকটার। এই মধুর স্বাদও অনেক সুস্বাদু। সংক্ষেপে, লিচু ফুলের মধু দেখতে অনেকটা হলুদ প্রকৃতির তবে ভৌগোলিক অবস্থান এবং একই সময় গ্রীষ্মকালীন অন্যান্য ফুলের উপস্থিতির জন্য এ রঙের তারতম্য ঘটতে পারে। মধুটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি এর অত্যন্ত মিষ্টি সুঘ্রাণ রয়েছে। এই মৌসুমের প্রাকৃতিক চাকের মধু সাধারণত হালকা বা মধ্যম ঘনত্বের হয়। তবে খামার উৎপাদিত মধু তুলনামূলক বেশি ঘনত্বের হয়ে থাকে। শীতকালে লিচু ফুলের মধু আংশিক বা সম্পূর্ণ স্ফটিকায়িত হতে পারে বা জমে যেতে পারে, তবে এতে মধুর গুণগত মানের কোন পরিবর্তন ঘটে না। লিচু ফুলের মধুর ক্ষেত্রে, এই মৌসুমের প্রাকৃতিক মৌচাকের মধুর চেয়ে খামার উৎপাদিত মধুর দাম বেশ কম। কারণ, প্রাকৃতিক চাকের মধু তেমন একটা সহজলভ্য নয়। তবে, অনেক ক্রেতা সাধারণের মতামত অনুযায়ী, লিচু মৌসুমে খামার উৎপাদিত মধুর চেয়ে প্রাকৃতিক মৌচাকের মধু অধিক সুস্বাদু। এই আর্টিকেলটিতে লিচু ফুলের মধুর বৈশিষ্ট্য, লিচু ফুলের মধু খাঁটি কিনা তা চেনার উপায় এবং এই মধুর গুণাগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তবে আসুন, শুরু করা যাক!

লিচু ফুলের মধু কখন কিভাবে সংগ্রহ করা হয়?

সাধারণত মার্চ থেকে এপ্রিল মাসে আমাদের দেশে লিচু গাছগুলিতে প্রচুর মুকুল হতে দেখা যায়৷ এসময় মৌমাছিরা লিচু ফুলে ঘুরে-ঘুরে ফুলের নেকটার সংগ্রহ করে তাদের মৌচাকে জমা করে৷ এভাবেই উৎপন্ন হয় লিচু মৌসুমের মধু বা লিচু ফুলের মধু৷

লিচু ফুলের মৌসুমে দুই ভাবে মধু সংগ্রহ করা যায়ঃ

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচুর লিচু বাগান রয়েছে৷ পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, রংপুর, প্রভৃতি অঞ্চলে আমরা মাঠের পর মাঠ লিচু বাগান দেখতে পাই৷ এসব অঞ্চলে লিচু ফুলের মৌসুমে বুনো মৌমাছিরা প্রচুর প্রাকৃতিক মৌচাক তৈরি করে৷ এই প্রাকৃতিক মৌচাকগুলি থেকে যে মধু আহরণ করা হয় এটাকে আমরা বলে থাকি লিচু মৌসুমের প্রাকৃতিক মৌচাকের মধু৷ প্রকৃতিতে যখন লিচু ফুলে ভরে যায় তখন আমাদের দেশের মৌচাষিরা তাদের খামারের মৌ-বাক্স গুলি বিভিন্ন বড়-বড় লিচু বাগানে স্থাপন করে থাকেন৷ মৌ-বাক্সে থাকা মৌমাছিরা লিচু বাগানের প্রায় প্রতিটি মুকুল থেকেই নেকটার সংগ্রহ করে তাদের মৌ-বাক্সে জমা করে৷ পরবর্তিতে, মৌচাষিরা মৌবক্সের মৌচাক গুলি থেকে এক্সট্রাক্টর নামক বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে মধু বের করে নেন৷ এভাবে যে মধু সংগৃহীত হয় এটাকে বলা হয় লিচু ফুলের মধু৷ খামারে উৎপাদিত মধুও অবশ্যই প্রাকৃতিক মধু৷

লিচু মৌসুমের প্রাকৃতিক মৌচাকের মধু বনাম খামারে উৎপাদিত লিচু ফুলের মধু

প্রাকৃতিক মৌচাকে যে মৌমাছিরা মধু সংগ্রহ করে জমা করে এরা বুনো মৌমাছি৷ মৌমাছির এই প্রজাতির নাম এপিস ডরসেটা৷ এরা পোষ মানে না৷ এরা তাদের ইচ্ছামত বিভিন্ন স্থানে মৌচাক তৈরি করে৷ অন্যদিকে মৌ-খামারিরা লিচু বাগানে যে মৌ-বাক্স গুলি স্থাপন করেন, তাতে যে মৌমাছিরা থাকে সেগুলি এপিস মেলিফেরা প্রজাতির মৌমাছি৷ এরা পোষ মানে৷ লিচু মৌসুমের প্রাকৃতিক মৌচাকের মধুতে লিচু ফুলের নেকটারের পাশপাশি বিভিন্ন গ্রীষ্মকালীন ফুলের নেকটারের সংমিশ্রণ থাকে৷ এজন্য আধিক্যতা অনুযায়ী এই মধুতে কখনো-কখনো লিচু ফলের সদৃশ স্বাদ এবং ঘ্রাণ পাওয়া যায়৷ আবার কখনো-কখনো মধুটিতে একটি অন্যরকম সুমিষ্ট স্বাদ এবং ঘ্রাণ পাওয়া যায়৷ এই স্বাদ এবং ঘ্রাণ নির্ভর করে মধুতে কোন ফুলের নেকটার কত শতাংশ আছে তার উপর৷ তবে মৌ-খামারিরা লিচু বাগানে তাদের মৌ-বাক্স স্থাপন করে যে মধু সংগ্রহ করেন এই মধুর স্বাদ এবং ঘ্রাণ অবশ্যই লিচু ফলের সদৃশ হবে৷ কারণ, খামারে উৎপাদিত এই প্রাকৃতিক মধুতে লিচু ফুলের নেকটারই সিংহভাগ থাকে৷ এই মৌসুমের প্রাকৃতিক চাকের মধু এবং খামারে উৎপাদিত মধু উভয়ই খুব ভাল মধু, যদি কিনা তা খাঁটি হয়৷ তবে গ্রাহকদের চাহিদা এবং পছন্দকে মূল্যায়ণ করে আমরা লিচু ফুলের মৌসুমের খাঁটি মধুটা সরবরাহ করি এটি নিজস্ব তত্বাবধানে সংগৃহীত লিচু মৌসুমের প্রাকৃতিক মৌচাকের মধু বা বুনো মৌমাছির মধু৷

লিচু ফুলের মধু চেনার উপায়ঃ

যেকোন মধু চেনা কিংবা মধু খাঁটি কিনা তা পরীক্ষা করার শর্টকাট কোন নিয়ম নেই৷ মধু পরীক্ষা করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হল ল্যাব টেস্ট করা৷ তবে এই পন্থাটি বেশ ব্যায় বহুল৷ তাই জনসাধারণের জন্য সহযে খাঁটি মধু চেনার একমাত্র উপায় হল বিভিন্ন মৌসুমের মধুর সঠিক বৈশিষ্ট জানা৷ আপনাদের সুবিধার্তে লিচু ফুলের মধুর বৈশিষ্টগুলি নিম্নে তুলে ধরছিঃ এই মধু দেখতে সাধারণত Light Amber (অনেকটা হলুদ প্রকৃতির) রঙের হয়৷ তবে মধু সংগ্রহের সময়, মধুতে লিচু ফুলের নেক্টারের শতকরা পরিমাণ, স্থান এবং ঘনত্বের উপর নির্ভর করে মধুর রঙ হালকা বা গাঢ় হতে পারে৷ এটি খেতে খুবই সুস্বাদু৷ এতে লিচু ফলের সদৃশ স্বাদ এবং ঘ্রাণ পাওয়া যায়৷ তবে প্রাকৃতিক মৌচাকের মধুতে বিভিন্ন ফুলের নেকটারের সংমিশ্রণের জন্য এই স্বাদের ভিন্নতা তৈরি হতে পারে৷ এই মধুর ঘনত্ব গাঢ় কিংবা পাতলা উভয়ই হতে পারে৷ ঘনত্ব বেশি পাতলা হলে মধুতে ফেনা হতে দেখা যায়। মধুর ঘনত্ব বেশি হলে ফেনা হতে দেখা যায় না। একটি নির্দিষ্ট সময় পরে এই মধু আংশিক কিংবা সম্পূর্ণ জমে যাবে৷ মধু আংশিক নাকি সম্পূর্ণ জমবে এটি নির্ভর করবে মধুর ঘনত্ব এবং বিভিন্ন ফুলের নেকটারের আধিক্যতার উপরে৷

লিচু ফুলের মধু কি তেতো হয়ে যায়?

এটি একটি আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলেও সত্যি যে, লিচু ফুলের মধু যেমন খুবই সুস্বাদু তেমনি এই ফুলের মধু যদি নিম্নমানের হয় তবে মধু সংগ্রহের কয়েক মাস পরে মধুতে হালকা তেতোভাব আসতে পারে৷ সাধারণত নিম্নমানের মধু যেমন সি গ্রেডের মধুতে এই হালকা তেতোভাব তৈরি হতে বেশি দেখা যায়৷ বি গ্রেডের মধুর বয়স দীর্ঘদিন হয়ে গেলে সেক্ষেত্রে মধুতে হালকা তেতোভাব আসতে পারে৷ তবে এ গ্রেডের মধুতে এমনটা হতে সাধারণত দেখা যায় না৷ তবে, এই তেতোভাবটা যে খুব একটা প্রকট তা নয়৷ মধু খাওয়ার পরে গলাতে হালকা তেতো অনুভব হতে পারে৷ ভালো করে লক্ষ্য না করলে আপনি হয়তো বুঝতেও পারবেন না৷ রেফারেন্সঃ মধু গবেষক মোঃ আল-আমিন হোসেন তবে আমাদের সংগৃহীত লিচু মৌসুমের প্রাকৃতিক মৌচাকের মধুতে এই তেতোভাবটা তেমন একটা পাইনি কখনো আমরা৷ হতে পারে, প্রাকৃতিক মৌচাকের মধুতে লিচু ফুলের পাশাপাশি গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন ফুলের নেকটারের সংমিশ্রণ থাকে সেজন্য৷

লিচু ফুলের মধুর উপকারিতাঃ

মধু গবেষকদের মতে, সব ফুলের মধুর গুণাগাুণই প্রায় সমান৷ তবে মধুটি হতে হবে অবশ্যই খাঁটি এবং ভালো মানের৷ নিম্নমানের মধু দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করলে এর গুণাগুণ আস্তে আস্তে কমতে থাকে৷ সংগত কারণেই আলাদা করে লিচু ফুলের মধুর উপকারিতা সম্পর্কে লিখে পোস্টির দীর্ঘায়ন করছি না৷ খাঁটি মধুর উপকারিতা এবং মধু খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আমাদের ব্লগে আরেকটি আর্টিকেল আছে৷ উক্ত আর্টিকেলটি আপনারা পড়ে নিতে পারেন৷ আপনাদের সুবিধার্তে আর্টিকেলটির লিংক নিচে উল্লেখ করে দেয়া হবে৷ তবে, লিচু ফুলের মধু খুবই সুস্বাদু এবং সুঘ্রাণযুক্ত হওয়ায় গ্রাহক পর্যায়ে এই মধুর বিশেষ সমাদর রয়েছে৷ বিশেষ করে বাচ্চারা এই মধু খেতে খুবই পছন্দ করে৷

লিচু ফুলের প্রাকৃতিক RAW মধুর ৬ টি বৈশিষ্ট্যঃ

দেখতে সাধারণত Light Amber রঙের হয় (তবে সময়, স্থান ও ঘন-পাতলার উপর নির্ভর করে কিছুটা Light বা Dark হতে পারে)। খেতে খুবই সুস্বাদু। মধু খাওয়ার সময় অবশ্যই মধুতে লিচু ফলের স্বাদ পাওয়া যায়। ঘ্রাণ টাও লিচু ফলের সাথে মিলে যায়। মধুর ঘনত্ব কম বা বেশি হতে পারে। মধু পাতলা হলে ফেনা হতে দেখা যায়। আর ঘনত্ব বেশি হলে ফেনা হতে দেখা যায় না। সাধারণত লিচু ফুলের খাটি মধু সামান্য জমতে দেখা যায়। যদি মধু পাতলা হয় তাহলে সেটা কয়েকমাস পরে সামান্য জমতে পারে। আর যদি মধু খুবই ঘন হয় তাহলে সেটা দ্রুত জমতে শুরু করে এবং সম্পূর্ণ মধুই জমে যেতে পারে বা বেশীরভাগ জমতে পারে।

লিচু ফুলের মধুর উপকারিতা

১.শক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে। ২.হজমে সহায়তা: এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী। ৩.কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়। ৪.রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। ৫.ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। যদি একজন অ্যাজমা (শ্বাসকষ্ট) রোগীর নাকের কাছে মধু ধরে শ্বাস টেনে নেওয়া হয়, তাহলে সে স্বাভাবিক এবং গভীরভাবে শ্বাস টেনে নিতে পারবে। অনেকে মনে করে, এক বছরের পুরোনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো। ৬.অনিদ্রায়: মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা–চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে। ৭.প্রশান্তিদায়ক পানীয়: হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশ্রিত মধু একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয়। ৮.মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায়: মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায় মধু ব্যবহৃত হয়। এটা দাঁতের ওপর ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয়রোধ করে । মধু মিশ্রিত পানি দিয়ে গড়গড়া করলে মাড়ির প্রদাহ দূর হয়। ৯.পাকস্থলীর সুস্থতায়: মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার অরুচি, বমিভাব, বুকজ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব। ১০.পানিশূন্যতায়: ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়। ১১.দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে: চোখের জন্য ভালো। গাজরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। ১২.ওজন কমাতে: মধুতে নেই কোনো চর্বি। পেট পরিষ্কার করে, চর্বি কমায়, ফলে ওজন কমে। ১৩.হজমে সহায়তা: মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয় এবং হজমে সহায়তা করে। ১৪.উচ্চ রক্তচাপ কমায়: দুই চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ রসুনের রস মেশান। সকাল-সন্ধ্যা দুইবার এই মিশ্রণ খান। প্রতিনিয়ত এটার ব্যবহার উচ্চ রক্তচাপ কমায়। প্রতিদিন সকালে খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে খাওয়া উচিত। ১৫.রক্ত উৎপাদনে সহায়তা: রক্ত উৎপাদনকারী উপকরণ আয়রন রয়েছে মধুতে। ১৬.হৃদ্‌রোগে: এক চামচ মৌরি গুঁড়োর সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধুর মিশ্রণ হৃদ্‌রোগের টনিক হিসেবে কাজ করে। এটা হৃৎপেশিকে সবল করে এবং এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ১৭.রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায়: মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায় এবং শরীরের ভেতরে এবং বাইরে যেকোনো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতাও জোগান দেয়। মধুতে আছে একধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধকারী উপাদান, যা অনাকাঙ্ক্ষিত সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে।

লিচু ফুলের মধু

লিচু ফুলের মধু হলো একটি উচ্চ মানের মধু যা লিচু ফুল থেকে সংগ্রহ করা হয়। এটি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় মধুর ধরন। লিচু ফুলের মধুর রঙ সাধারণত হালকা বাদামী থেকে গাঢ় বাদামী হয় এবং স্বাদ সাধারণত মিষ্টি এবং সুগন্ধযুক্ত হয়। লিচু ফুলের মধুর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, হজমশক্তি বাড়ায়, ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং সর্দি-কাশি, অ্যালার্জি ও অন্যান্য রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করে।

লিচু ফুলের মধুর কিছু নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য উপকারিতা নিম্নরূপ:

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: লিচু ফুলের মধুতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। হজমশক্তি বাড়ায়: লিচু ফুলের মধুতে এনজাইম এবং খনিজ থাকে যা হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে: লিচু ফুলের মধুতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে সাহায্য করে। সর্দি-কাশি, অ্যালার্জি ও অন্যান্য রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করে: লিচু ফুলের মধুতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা সর্দি-কাশি, অ্যালার্জি ও অন্যান্য রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে। লিচু ফুলের মধু সাধারণত নিরাপদ বলে মনে করা হয়, তবে কিছু লোকের মধ্যে এলার্জি প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। আপনি যদি লিচু ফুলের মধু গ্রহণ করার আগে কোনও স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য ওষুধ গ্রহণ করেন তবে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ। লিচু ফুলের মধু একটি প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর খাবার। এটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। লিচু ফুলের মধু কেনার সময় সতর্কতা অবলম্বন করে ভালো মানের মধু কেনা উচিত।

RECOMMENDED FOR YOU

Sale 20%

খাঁটি খেজুরের গুড়

  • ৳1500 ৳ 1800

Sale 15%

চিয়াসিড 2KG

  • ৳980 ৳ 1127

সরিষা ফুলের মধু 1 কেজি

  • ৳490

বরই ফুলের মধু 500 gram

  • ৳340

Sale 10%

লিচু ফুলের মধু 2 kg

  • ৳1100 ৳ 1210